ব্রিটিশ মুদ্রাস্ফীতি GBPUSD পেয়ারকে যেভাবে প্রভাবিত করতে পারে

ফেব্রুয়ারি মাসের কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) আজ দুপুর ০১:০০ টার দিকে রিলিজ হবে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির প্রত্যাশা সাম্প্রতি শক্তিশালী কর্মসংস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে, আজকের ডেটা GBPUSD ট্রেডাররা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি ডেটা ছাড়াও, আজ ব্রিটিশ স্প্রিং বাজেটও প্রকাশিত হবে। যা আজকের সেশনে GBPUSD বিনিয়োগকারীদের মূল ডেটা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাৎসরিক ব্যবধানে মুদ্রাস্ফীতি ৫.৫% থেকে বেড়ে ৫.৯% আসতে পারে। যা ৩০-বছরের সর্বোচ্চ হবে বলে আশা করা হচ্ছে, কোর মুদ্রাস্ফীতি ৪.৪% থেকে বেড়ে ৫.০% আসতে পারে। ধারাণা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে পিপিআই ০.৯% থেকে বেড়ে ১০%  এবং বাৎসরিক ব্যবধানে ৯.৩% থেকে বেড়ে ১০% আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

Untitled-1.jpg

এ প্রসঙ্গে ওয়েস্টপ্যাকের বিশ্লেষকরা বলেছেন, ক্রমবর্ধমান এনার্জির প্রাইস কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতির মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে। এছাড়াও ব্রিটিশ চ্যান্সেলর সুনাক মিনি-বাজেট প্রদান করবেন, যেখানে জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতি থেকে জীবনযাত্রার চাপের ব্যয়ের উপর আলোকপাত করা হবে।

আজ বুধবার এশিয়ান সেশনে GBPUSD আপট্রেন্ড ধরে রেখে ১.৩২৮৫-৯০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা ১৩ দিনের মতো আপট্রেন্ড ধরে রাখে। মুদ্রাস্ফীতি বিশেষজ্ঞ এফএক্সস্ট্রিটের ধোয়ানি মেহতা বলেন,

ব্রিটিশ মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশিত ৫.৯%-এর উপরে আসলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডকে জটিল স্থানে ফেলতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী নীতিগত পদক্ষেপকে ঘিরে অনিশ্চয়তা সম্ভবত পাউন্ডের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.