২০ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় বার মার্কিন ডলারের নিচে ইউরো

সোমবার গোল্ড ও সিলভারের প্রাইসে নিন্মমূখী চাপ অনুভূত হয়েছে। ঐদিন গ্লোবাল ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট ১.৪% কমে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সামান্য উপরে ছিলো।

সপ্তাহের শুরুতে ইউরো ২০ বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন ডলারের নিচে নেমেছে। আর্টিকেল লেখার সময় ডলারের বিপরীতে ইউরোর প্রাইস কমে ০.৯৯৪১ এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ১২ জুলাই ইউরোর বিপরীতে ডলার সমান প্রাইসে নেমে এসেছিলো।

অপরদিকে সোমবার ২২ আগস্ট ডলার আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখে ১০৯.০২৫ প্রাইসে উঠেছিলো। রয়টার্স প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২২ আগস্ট ইউরোর পতন জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম সংকটের কারণে হয়েছে যা ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইউরোপ মোকাবেলা করছে।
অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে, যতক্ষণ যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে ও ফেডারেল রিজার্ভ ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি ও আর্থিক কঠোরতা অব্যাহত রাখবে ততোদিন ডলার শক্তিশালী থাকবে। মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান ও ইউরোপ যুদ্ধ ছাড়াও চীনের অর্থনীতি রিয়েল এস্টেট সংকট মোকাবেলা করছে। এ সপ্তাহের শুরুতে চায়না সিনেওয়ার্ল্ডের মেগা থিয়েটার চেইনে আর্থিক দুর্বলতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং অনুমান করা হচ্ছে, সংস্থাটি দেউলিয়া হওয়ার কাছাকাছি রয়েছে।

সোমবার চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থনীতির উপর চাপ কমাতে বেঞ্জমার্ক ঋণের রেট কমিয়েছে। যা চীনা ইকোনমির দুর্বলতাকে প্রকাশ করেছে।  মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত মাসে ইন্টারেস্ট রেট ৭৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করার পরে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরেও রেট বৃদ্ধি করতে পারে।  মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেট বৃদ্ধি করলে সেক্ষেত্রে ডলারের প্রাইস আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা  রয়েছে।  এর ফলে ডলারের তুলনায় ইউরোর প্রাইস বেশ কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

হোম
নিউজ
ট্রেডিং স্কুল
ব্রোকার
সিগন্যাল
ক্লাব
Scroll to Top