ফেড মিটিংয়ের পূর্বে ১.০১০০ প্রাইসে যাবে EURUSD

মার্কিন ডলার ৩ সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে ওঠার ফলে EURUSD-এর প্রাইস কমে ১.০১১৫ এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ট্রেডারদের বর্তমান নজর ২য় প্রান্তিকের ইউরোজোন জিডিপি ডাটা ও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের মিটিংয়ের দিকে।

প্রত্যাশা করা হচ্ছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইউরোজোন জিডিপি ০.৭% এবং বাৎসরিক ব্যবধানে ৪%-এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। ইউরোজোনে নতুন করে জ্বালানি সংকটের উদ্বেগ বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে ইউরোর প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে ফেড মিনিটসে আসন্ন মিটিংগুলোতে হার বৃদ্ধির অন্তদৃষ্টির দিকে ট্রেডারদের নজর থাকবে।

মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সেপ্টেম্বরে ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি করতে পারে। এমন সম্ভাবনা আজকের মিটিংয়ের মাধ্যমে সত্য প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির ইঙ্গিত আসলে সেক্ষেত্রে ডলারের প্রাইস পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে।

ফেড মিটিংয়ের পূর্বে জুলাই মাসের রিটেইল সেলস রিপোর্ট ফরেক্স মার্কেটে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুলাই মাসে মার্কিন রিটেইল সেলস ১% থেকে কমে ০.১% আসতে পারে। যা ডলারের প্রাইসে প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

অপরদিকে ২১ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ (DMA) অনুযায়ী EURUSD-এর ক্ষেত্রে ১.০২০৮ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোর প্রাইস কমতে সক্ষম হলে সেক্ষেত্রে সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ১.০১২২ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.০১০০।

ডেইলি চার্টে ১৪ দিনের RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী ৫০ পয়েন্টের নিচে অবস্থান করছে, যা প্রাইস কমার নির্দেশ দিচ্ছে। এছাড়াও ৫০- DMA অনুযায়ী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.০২৯৫। EURUSD পেয়ার ১.০১০০ প্রাইসের নিচে নামতে সক্ষম হলে এক্ষেত্রে ১.০০৫০ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

হোম
নিউজ
ট্রেডিং স্কুল
ব্রোকার
সিগন্যাল
ক্লাব
Scroll to Top