চীনের প্রবৃদ্ধির দুশ্চিন্তায় অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমছে

সামগ্রিকভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইকোনমিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে চীনের বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা পুনরুজ্জীবিত হওয়ায় চীনের ইউয়ান ৩ বছরের সর্বনিন্মে নেমে এসেছে।

অস্টেলিয়া যেহেতু চীনের সবথেকে বড় বাণিজ্যিক পার্টনার। তাই চীনের দুসংবাদে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের প্রাইসও কমতে শুরু করেছে। চীনের সর্বনাশে যুক্তরাষ্ট্রের বসন্ত। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিও মন্দার মধ্যে রয়েছে। চীনের দুসংবাদে ইউয়ানের প্রাইস কমলেও মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে এক সপ্তাহের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে।

আর্টিকেল লেখার সময় মার্কিন ডলারের প্রাইস বেড়ে ১০৬.৮১-এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির নমনীয়তাও ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। ব্যাংক অফ সিঙ্গাপুরের কারেন্সি কৌশলবিদ সিম মোহ সিওং বলেন, চীনের ইকোনমিতে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি অস্টেলিয়ান ডলার সহ উদীয়মান মার্কেটের মুদ্রাকে প্রভাবিত করতে পারে।

জুলাইয়ের দুর্বল ইকোনমিক ডাটা প্রকাশিত হওয়ার পর চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার অপ্রত্যাশিতভাবে ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে। আজ মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ান ডলারের প্রাইস ০.৪৪% কমে ০.৬৯৯৬ এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে।

জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে মার্কিন ডলার দুই দশকের সর্বোচ্চ ১০৯.২৯-তে ওঠার পরবর্তীতে প্রথমবারে মতো গত সপ্তাহে ডলার ১০৪.৬৩-তে নেমেছে। গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কমার পেছনে ফেডের আক্রমনাত্মক নীতির শিথিলতা কাজ করেছিলো। এ সপ্তাহে চীনা ব্যাংকের ইন্টারেস্ট রেট কমানোকে কেন্দ্র করে পুনরায় ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

হোম
নিউজ
ট্রেডিং স্কুল
ব্রোকার
সিগন্যাল
ক্লাব
Scroll to Top