আমি আমার আগের পোস্টিং এ বলেছিলাম যে, আমি ফরেক্স এ একজন নতুন মানুষ। আমার ফরেক্স বিষয়ে অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে। আর ফরেক্স নিয়ে কখন লিখব সেটাও ভাবেনি। বিডি পিপ্স এ এসে কিছু সম্মানিত ভাই দের অক্লান্ত মেহনত আর পরিশ্রম দেখে আমার ও ইছে হল কিছু লিখার। আমার এই লিখাই আমার জ্ঞান বা অবদান কিছুই নেই।বিডি পিপ্স এর বিভিন্ন সম্মান্নিত ভাইদের লিখা পড়ে আর আমা্র ক্ষুদ্র চেষ্টাই বিভিন্ন ম্যাগাজিন, পেপার কাটিং, বই পড়ে যা শিখেছি বা জানতে পেরেছি তা বিডি পিপ্স এর সদস্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেবার জন্য আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমার লিখাই যদি কোন ভুল থাকে তা একান্ত আমার আর যদি ভাল কিছু থাকে তা ঐ সকল লেখকদের যাদের লিখা পড়ে আমি এই জ্ঞান অর্জন করেছি।
প্রত্যেকে ফরেক্স এ বিনিয়োগ করে ধনী হতে চান কিন্তু তাঁরা প্রায়শই জানেন না তা কিভাবে করতে হয়। এখানে কতিপয় বিনিয়োগ টিপস দেওয়া হলো যা আপনার ধনী হতে যথেষ্ট সহায়ক হবে।
১) ফরেক্স ব্যবসায় শুরু করার আগে আপনাকে স্পষ্টই জানতে হবে যে কি কি করতে হবে। প্রথমেই আপনার একটি কম্পিউটার ও ইন্টারনেট দরকার ।অন্য আর একটি জিনিস দরকার তা হলো একটি ব্রোকার হাউজ যার মাধ্যমে ট্রেডিং করা হয়।
২) চার্ট পড়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। অনলাইনে ট্রেডিং করতে হলে চার্ট পড়তে পারা খুবই দরকার যা স্টকের উত্থান বা পতনের ভিত্তিতে কাজে লাগানো যায়।
৩) যে স্টকের বা কারেন্সি পেয়ার এর দাম নিচে পড়ে যাচ্ছে তা কখনোই ক্রয় করতে যাবেন না। আপনি হয়ত ভাবছেন যে এখন দাম কমলেও শীঘ্রই দাম বাড়বে। এ ধারনাটি খুবই ভালো কিন্তু এটি বিরল কাজ করে। যে কোম্পানিটি বা কারেন্সি উত্তরোত্তর উন্নতি করছে সেই কোম্পাটির বা কারেন্সির দিকে তাকান। সবচেয়ে কম দামে ক্রয় করার চেষ্টা করুন যেটির মূল্য সহসাই আর নিচে নামবে না।
৪) যে ব্রোকার সবচেয়ে কম কমিশনে কাজ করে সেটিকে খুজুন। স্টক ক্রয় বিক্রয়ে অনেক টাকা কমিশনে খরচ হয়ে য়ায়।
৫) কখন ক্রয় বিক্রয় করতে হবে তা জানুন। এটি সবচেয়ে কঠিন কাজ । কিন্তু যদি আপনি জানেন যে, দাম কমে যাওয়ার আগে কখন বিক্রয় করতে হবে এবং কখন দাম বৃদ্ধির আগে কখন ক্রয় করতে হবে সেক্ষেত্রে আপনি তুলনামূলকভাবে কম দামে ক্রয় ও বেশী দামে বিক্রয় করতে পারবেন।
৬) ষ্টক ক্রয়-বিক্রয় করতে এসে মিডিয়ার কথায় প্রভাবিত হবেন না। যখন কোন স্টকের মূল্য দ্রুত উপরে উঠতে থাকে কিংবা দ্রুত নামতে থাকে তখন মিডিয়া হয়ত কোন স্টক ক্রয় করতে হবে বা কোন স্টক বিক্রয় করতে হবে তা নিয়ে মতামত ব্যক্ত করে। নিজে নিজে কাজ করুন এতে আপনার বেশি লাভ হবে। ওয়াচ লিষ্ট ধরে এগিয়ে যান। একেকটি কোম্পানির জন্য আলাদা আলাদা ওয়াচ লিষ্ট তৈরী করুন । বিগত ছয় মাসের দামের উত্থান পতন এই ওয়াচ লিষ্টের মধ্যে রাখুন।
(সংগৃহীত)

Xemarkets

























